খুব কবিতা লেখতে ইচ্ছা করে!
কড়ই ডালে বুলবুলিকে নিয়ে
কিংবা পলাশের চূড়ার টিয়ে।
নয়তো জানালার ফাঁক গলে
ঢুকে পড়ে যে একাকী চাঁদ,
তার আলোতে ভালবেসে
একটুখানি হেসে কিছু পদ্য
প্রলাপ।
নতুবা দুপুর রোদে দাঁড়িয়ে থাকা
ঝালর মাথার নারিকেল গাছ।
আর ঝড়ের রাতে ভিজতে থাকা
শিশু মেহগনির মাথায় বাজ।
আর নয়তো কিছু শংখচিল কে নিয়ে,
চড়ুই এর ক্ষুদ্র চোখের মায়া,
বা মধ্যরাতে অজানা কীটের ডাকে
ছন্দ মেলানো জোনাকির ছায়া।
আর না হলে কলকল বয়ে যাওয়া
নদীর ধারে শুকনো নৌকাটা নিয়ে
বা পানির তোড়ে ছুটে চলা এক
দল কচুরিপনা সংসার সরিয়ে।
অথবা শহরের নিরবতম সময়ে
প্রাচীন আলোর নিচে দাঁড়িয়ে
ধোঁয়ার আলোয় মুখ লুকিয়ে,
জ্বলতে থাকা শহুরে বিভা
মন্দহীন।
কিংবা রিকশার চাকায় বসা
অতিভোজী মাছির চোখ নিয়ে,
আর নগরে হারিয়ে যাওয়া কিছু
আত্মার স্মরণে শোক র্যালি
নিয়ে এগিয়ে আসা যুবা নিয়ে।
পড়ে থাক কবিতার ভার
নগর আজ সুসং নচ্ছার।
শেষের সীমা অজানা,
হাতড়ে ফিরাও মানা।
হয়তো তাই-
স্মৃতি সড়কের শেষে কুয়াশা জমে
ভর করে,
আজ হঠাৎ খুব কবিতা লিখতে ইচ্ছা
করে।
July, 2017
Sher-e-Bangla Hall
![]() |
| Ink on Paper [Source: Medium] |

Comments
Post a Comment