জিজ্ঞাস করতে পারো,কেনো এতো ভালবাসি?
হয়তো মাথা নেড়ে বলবো জানি না।
অথবা পরক্ষণেই চিন্তায় ডুবে যাবো।
আকাশ পাতাল ভাবা শুরু করবো।
হয়তো ভাববো যে তোমার অপার ভালবাসায়
ঋণী থাকতে চাই না। তাই বাসি।
কিন্তু পরক্ষণেই আবার ভাববো
নাহ! কখনো কিছু তো ধার নিই নি!
ঋণ এলো কোত্থেকে?
আবার হয়তো ভাববো তোমার
কালো চুলের মায়ায় পড়ে গেছি।
ঐ চুলে মুখ গুঁজে থাকার জন্য
এতো ভালবাসি।
চুলের গন্ধ নিতে, হাত বুলাতে
কাছে থাকতে-তাই ভালো লাগে।
কিন্তু নাহ! কখনো তো শুধু চুল নিয়ে
পড়ে থাকি নি!
ঘনকেশপ্রীতি এলো কোত্থেকে?
কিংবা হয়তো ভাববো তোমার
নিষ্পাপ মুখের প্রেমে পড়ে গেছি
ঐ মুখটা আজীবন দেখবো বলেই
হয়তো ভালোবাসি এতটা।
অপলক চেয়ে থাকতে, আলতো করে
ছুঁয়ে দিতে তাই এতো পছন্দ করি।
কিন্তু নাহ! এক মুখের জোরে তো
পাগল হতে পারি না আমি!
শুদ্ধতাপ্রীতি এলো কোত্থেকে?
অথবা হয়তো ভাববো তোমার
মসৃণ গালদুটোর মায়ায় জড়িয়ে গেছি।
ও গাল বেয়ে পড়া সব অশ্রুধারা মুছে দেবো
বলে না ভালবেসে থাকতে পারি না।
দু গালে হাত রেখে বা আঙুলের পরশে
খেলতে হয়তো তাই উন্মুখ হয়ে থাকি।
কিন্তু নাহ! শুধু নশ্বর গালের জন্য
এতো আত্মহারা কেন হবো আমি!!
নিখুঁতের প্রীতি এলো কোত্থেকে?
কিংবা হয়তো ভাববো তোমার
লাজুক ঠোঁটদুটোর টানে ফেঁসে গেছি।
গোলাপফোটা ঠোঁটে সারাজীবন ঠোঁট
চেপে রাখবো বলে ভালবাসি।
তাই হয়তো ভয়ে নড়তে থাকা পাতলা ভেজা
ঠোঁটে চুমু এঁকে দিতে ভাল লাগে।
কিন্তু নাহ! শুধু চুমু খেতে তো আমি ওর
কাছে আসি না, তবে এমন কেনো হবে!
লজ্জাপ্রীতি এলো কোত্থেকে?
আর হয়তো ভাববো তোমার হাতের
নরম স্পর্শের আকর্ষনে পড়ে গেছি।
সে হাত সবসময় ধরে রাখার অধিকার
নিতে চেয়ে এতো ভালবাসি।
তাই হয়তো হাতখানা জোরে চেপে ধরে
বসে থাকতে এতো পছন্দ করি।
কিন্তু নাহ! স্পর্শকাতর হলেও তো শুধু এই
কারনে হাবুডুবু খেতে পারি না আমি!
শিহরণপ্রীতি এলো কোত্থেকে?
নয়তো ভেবে নেবো তোমার
নিঃশ্বাসের ছোঁয়ার মোহময় বাতাসে আটকে গেছি।
এত প্রিয় একটা গন্ধ কখনো হারাতে
চাই না বলেই হয়তো ভালবাসি।
তাই হয়তো অযথা মুখের কাছে গিয়ে,
চাঁদের দিকে চেয়ে নাক টেনে গন্ধ নিতে এতো ভালবাসি।
কিন্তু নাহ! আমি তো কুকুর নই যে, শুধু গন্ধের
টানে আজীবন পাশে থাকতে চাইবো!
ঘোরপ্রীতি এলো কোত্থেকে?
কে জানে হয়তো এও ভাববো যে তোমার
অকপট কথা বলে যাওয়ার প্রেমে পড়ে গেছি।
সেই আদুরে গলা, মিষ্টি সম্ভাষণ আজীবন
শুনতে চেয়ে প্রেমে ডুবে গেছি।
তাই হয়তো কথা বলতে গিয়ে বারবার এক কথা
শুনতে আর হাসতে ভাল লাগে।
কিন্তু নাহ! আহ্লাদ, বাকপটুতা তো আমার পছন্দ না
তবে তাকে কেন এভাবে ভাল লাগবে!
কণ্ঠ্যপ্রীতি এলো কোত্থেকে?
নতুবা হয়তো ভাববো তোমার
প্রাণখোলা হাসির জাদুতে ভেলকি খেয়েছি।
মৃদু-নিম্ন সুরে এতোটা রোমাঞ্চকর হাসি
দেখতে-শুনতে তাই এতোটা ভালবাসি।
আর তাই কারনে-অকারনে সুড়সুড়ি দিয়ে,
অযথা বাজে দুষ্টুমি করতে এতো তাগাদা পাই।
কিন্তু নাহ! তার অট্টহাসি তো আমার এতো পছন্দ না,
শুধু একটি হাসির জন্য সব বিসর্জন দিতে পারি!
মধুপ্রীতি এলো কোত্থেকে?
আর হয়তো ভাববো তোমার কোমল
মনটার সরল রূপের আঁচলে বাধা পড়ে গেছি।
সে মনের রহস্য উদঘাটন করব বলে
হয়তো কখনো আড়াল হতে দিতে চাই না।
আর তাই হয়তো অযথা নানা ছুতোয় তোমার
সাথে খেলি, ঝগড়া, মনোমালিন্য করতে এতো ভালবাসি।
কিন্তু নাহ! এসব করে মন খারাপ করে থাকতে
তো আমার মোটেও ভাল লাগে না!
মহত্ত্বপ্রীতি এলো কোত্থেকে?
কিন্তু এতো কিছু ভেবেও যখন কূল পাবো না
তখন হয়তো শূন্য চোখে চেয়ে থাকবো।
শুধু চেয়েই থাকবো। উত্তর খুঁজে ক্লান্ত হয়ে যাবো।
আর ঠিক তখনি বিদ্যুৎস্পৃশ্যের মত চমকে উঠবো
আচমকা জবাবপ্রাপ্তিতে। আকস্মিকতায়
হকচকিয়ে গেলেও সেই কথাটাই হয়তো তখন
ধ্রুবসত্য হয়ে ধরা দেবে।
কারন এটাই যে সত্য।
এটাই পরমোত্তর!
তখন তোমাকে আবার জিজ্ঞেস করতে বলবো,
'কেন এতো ভালবাসো?'
অতঃপর মুচকি হেসে
কাছে টেনে জরিয়ে ধরে বলবো,
'জানি না! কখনো জানতেও চাই না।
কারণ ভালবাসি তোমাকে, তাই।'
হয়তো মাথা নেড়ে বলবো জানি না।
অথবা পরক্ষণেই চিন্তায় ডুবে যাবো।
আকাশ পাতাল ভাবা শুরু করবো।
হয়তো ভাববো যে তোমার অপার ভালবাসায়
ঋণী থাকতে চাই না। তাই বাসি।
কিন্তু পরক্ষণেই আবার ভাববো
নাহ! কখনো কিছু তো ধার নিই নি!
ঋণ এলো কোত্থেকে?
আবার হয়তো ভাববো তোমার
কালো চুলের মায়ায় পড়ে গেছি।
ঐ চুলে মুখ গুঁজে থাকার জন্য
এতো ভালবাসি।
চুলের গন্ধ নিতে, হাত বুলাতে
কাছে থাকতে-তাই ভালো লাগে।
কিন্তু নাহ! কখনো তো শুধু চুল নিয়ে
পড়ে থাকি নি!
ঘনকেশপ্রীতি এলো কোত্থেকে?
কিংবা হয়তো ভাববো তোমার
নিষ্পাপ মুখের প্রেমে পড়ে গেছি
ঐ মুখটা আজীবন দেখবো বলেই
হয়তো ভালোবাসি এতটা।
অপলক চেয়ে থাকতে, আলতো করে
ছুঁয়ে দিতে তাই এতো পছন্দ করি।
কিন্তু নাহ! এক মুখের জোরে তো
পাগল হতে পারি না আমি!
শুদ্ধতাপ্রীতি এলো কোত্থেকে?
অথবা হয়তো ভাববো তোমার
মসৃণ গালদুটোর মায়ায় জড়িয়ে গেছি।
ও গাল বেয়ে পড়া সব অশ্রুধারা মুছে দেবো
বলে না ভালবেসে থাকতে পারি না।
দু গালে হাত রেখে বা আঙুলের পরশে
খেলতে হয়তো তাই উন্মুখ হয়ে থাকি।
কিন্তু নাহ! শুধু নশ্বর গালের জন্য
এতো আত্মহারা কেন হবো আমি!!
নিখুঁতের প্রীতি এলো কোত্থেকে?
কিংবা হয়তো ভাববো তোমার
লাজুক ঠোঁটদুটোর টানে ফেঁসে গেছি।
গোলাপফোটা ঠোঁটে সারাজীবন ঠোঁট
চেপে রাখবো বলে ভালবাসি।
তাই হয়তো ভয়ে নড়তে থাকা পাতলা ভেজা
ঠোঁটে চুমু এঁকে দিতে ভাল লাগে।
কিন্তু নাহ! শুধু চুমু খেতে তো আমি ওর
কাছে আসি না, তবে এমন কেনো হবে!
লজ্জাপ্রীতি এলো কোত্থেকে?
আর হয়তো ভাববো তোমার হাতের
নরম স্পর্শের আকর্ষনে পড়ে গেছি।
সে হাত সবসময় ধরে রাখার অধিকার
নিতে চেয়ে এতো ভালবাসি।
তাই হয়তো হাতখানা জোরে চেপে ধরে
বসে থাকতে এতো পছন্দ করি।
কিন্তু নাহ! স্পর্শকাতর হলেও তো শুধু এই
কারনে হাবুডুবু খেতে পারি না আমি!
শিহরণপ্রীতি এলো কোত্থেকে?
নয়তো ভেবে নেবো তোমার
নিঃশ্বাসের ছোঁয়ার মোহময় বাতাসে আটকে গেছি।
এত প্রিয় একটা গন্ধ কখনো হারাতে
চাই না বলেই হয়তো ভালবাসি।
তাই হয়তো অযথা মুখের কাছে গিয়ে,
চাঁদের দিকে চেয়ে নাক টেনে গন্ধ নিতে এতো ভালবাসি।
কিন্তু নাহ! আমি তো কুকুর নই যে, শুধু গন্ধের
টানে আজীবন পাশে থাকতে চাইবো!
ঘোরপ্রীতি এলো কোত্থেকে?
কে জানে হয়তো এও ভাববো যে তোমার
অকপট কথা বলে যাওয়ার প্রেমে পড়ে গেছি।
সেই আদুরে গলা, মিষ্টি সম্ভাষণ আজীবন
শুনতে চেয়ে প্রেমে ডুবে গেছি।
তাই হয়তো কথা বলতে গিয়ে বারবার এক কথা
শুনতে আর হাসতে ভাল লাগে।
কিন্তু নাহ! আহ্লাদ, বাকপটুতা তো আমার পছন্দ না
তবে তাকে কেন এভাবে ভাল লাগবে!
কণ্ঠ্যপ্রীতি এলো কোত্থেকে?
নতুবা হয়তো ভাববো তোমার
প্রাণখোলা হাসির জাদুতে ভেলকি খেয়েছি।
মৃদু-নিম্ন সুরে এতোটা রোমাঞ্চকর হাসি
দেখতে-শুনতে তাই এতোটা ভালবাসি।
আর তাই কারনে-অকারনে সুড়সুড়ি দিয়ে,
অযথা বাজে দুষ্টুমি করতে এতো তাগাদা পাই।
কিন্তু নাহ! তার অট্টহাসি তো আমার এতো পছন্দ না,
শুধু একটি হাসির জন্য সব বিসর্জন দিতে পারি!
মধুপ্রীতি এলো কোত্থেকে?
আর হয়তো ভাববো তোমার কোমল
মনটার সরল রূপের আঁচলে বাধা পড়ে গেছি।
সে মনের রহস্য উদঘাটন করব বলে
হয়তো কখনো আড়াল হতে দিতে চাই না।
আর তাই হয়তো অযথা নানা ছুতোয় তোমার
সাথে খেলি, ঝগড়া, মনোমালিন্য করতে এতো ভালবাসি।
কিন্তু নাহ! এসব করে মন খারাপ করে থাকতে
তো আমার মোটেও ভাল লাগে না!
মহত্ত্বপ্রীতি এলো কোত্থেকে?
কিন্তু এতো কিছু ভেবেও যখন কূল পাবো না
তখন হয়তো শূন্য চোখে চেয়ে থাকবো।
শুধু চেয়েই থাকবো। উত্তর খুঁজে ক্লান্ত হয়ে যাবো।
আর ঠিক তখনি বিদ্যুৎস্পৃশ্যের মত চমকে উঠবো
আচমকা জবাবপ্রাপ্তিতে। আকস্মিকতায়
হকচকিয়ে গেলেও সেই কথাটাই হয়তো তখন
ধ্রুবসত্য হয়ে ধরা দেবে।
কারন এটাই যে সত্য।
এটাই পরমোত্তর!
তখন তোমাকে আবার জিজ্ঞেস করতে বলবো,
'কেন এতো ভালবাসো?'
অতঃপর মুচকি হেসে
কাছে টেনে জরিয়ে ধরে বলবো,
'জানি না! কখনো জানতেও চাই না।
কারণ ভালবাসি তোমাকে, তাই।'
December, 2013
Sher-e-Bangla Hall
![]() |
| An artwork by Mitra Shadfar [Source: Catherine La Rose: The Poet of Painting] |

Comments
Post a Comment